মণিমঞ্জরী (১)–সায়ন্তন ঠাকুর

বাইরে ঘন রাত্রি। জমাট আঁধার ছেয়ে আছে চারপাশে। গঙ্গার উঁচু পারের ওপর বংশী দাসের কুটিরে শুধু একখানি মৃদু আলোর রেখা। পরিস্কার করে নিকোনো মাটির দাওয়া পার হয়ে একটি মাত্র ঘর। খোলা জানলা বেয়ে ভেসে আসছে জলের স্পর্শে চঞ্চল বাতাস। কিছু দূরে ঘাটে বাঁধা মাঝি মাল্লাদের অস্পষ্ট গলার স্বর শোনা যাচ্ছে।চৈত্র Read more…

দীপংকরেরা–সন্মাত্রানন্দ

“আমার নাম দীপংকর। দীপংকর শ্রীজ্ঞান নয়, দীপংকর কুণ্ডু”– ফোনের ওদিকে অচেনা নম্বর থেকে হাসির শব্দ। আমি কী বলব, বুঝতে পারছিলাম না। সামলে নিয়ে বললাম, “আপনাকে তো ঠিক…” “চিনতে পারার কথাও নয়। আমি কলেজ স্ট্রীটে ধানসিড়ির স্টল থেকে আপনার নম্বরটা জোগাড় করেছি। আমি একজন বই-বিক্রেতা।” “কোথায় আপনার দোকান?” “দোকান নয়, আমি Read more…

মলিন একতারা ও বাঁকাচরণ দাস–সায়ন্তন ঠাকুর

গতকাল দুপুরবেলা বাজার যেতে হয়েছিল চাল কেনার জন্য। খিদের অন্ন। যা জোগাড় করার জন্যই আমার যাবতীয় পরিশ্রম। আষাঢ় মাসের বেলা, কখনও জলভরা মেঘের ছায়ার নীচে গাঢ় হয়ে উঠছে আধা মফস্বল শহরের দোকান বাজার ট্যাক্সি অটোর দল আবার পরক্ষণেই ঝলমলে রোদ্দুর মুছে দিচ্ছে শান্ত মায়া। বৃষ্টি আসছে না শুধু তার ইশারা Read more…