Description
যাঁরা সংসারের যাবতীয় কাজকর্ম চুলোর দুয়োরে রেখে কবিতার কাছাকাছি আসেন, তাঁদের কাছে কবিতা কখনোই তাৎক্ষণিক শান্তির কোনো বিষয় হয়ে উঠতে পারে না। কবিতায় কোনো শান্তি নেই। কারণ, যে তীব্র শান্তি পাঠ বা লেখার সময়ে কবি অনুভব করেন, যে ভয়ংকর সম্মোহনী শান্তি, পরবর্তী শান্তি অনেক অনেক খেলো, বুকের বাম-ডান পাশ দিয়ে চলে যায়। যে প্রচণ্ড আবহমান স্বাদ, যে গভীরতার ছায়া মাঝে মাঝে অনুভব করেন, কখনও পাঠে, কখনও লেখায়, কখনও-বা রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে, তা-ই অনেক বেঁকেচুরে যায়, তির লক্ষ্য থেকে সরে আসে, কবিতা লিখতে লিখতেই তিনি উপলব্ধি করেন। আর বেশ কিছুক্ষণ পর নিজের আয়ত্তে আসা পুরো কবিতার শরীর থেকে একটি বা দুটি লাইন স্তোকের মতো ধ্বনিত হয়। যেন মনে হয় এর জেরে ইতিহাস হয়ে থাকবেন সামান্য বয়সে।








Reviews
There are no reviews yet.